বিসিপিএসের শিশু বিভাগের সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. সঞ্জয়
মেডিভয়েস রিপোর্ট: বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) শিশু বিভাগের সদস্য সচিব মনোনীত হয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) নিওনেটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সঞ্জয় কুমার দে। গত ১১ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে এই মনোনয়ন দেওয়া হয়।
আজ বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) সকালে তিনি মেডিভয়েসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অধ্যাপক ডা. সঞ্জয় কুমার দে বলেন, ‘বিসিপিএসের সেক্রেটারি স্বাক্ষরিত চিঠিতে জানানো হয়, আমাকে বিসিপিএসের শিশু বিভাগের সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, দেশে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরিতে বিসিপিএস পথপ্রদর্শক। বিএসএমএমইউ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৯৮ সালে। আর বিসিপিএসের যাত্রা শুরু ১৯৭২ সালে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে পোস্ট গ্রাজুয়েট চিকিৎসক তৈরিতে কলেজটি কাজ করে যাচ্ছে। পরীক্ষা গ্রহণ, প্রশিক্ষণ প্রদান, প্রশিক্ষণ পর্যবেক্ষণ—এই কাজগুলো বিসিপিএস করে যাচ্ছে।
কাজের পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২০০৬ সালে ফেলোশিপ হওয়ার পর থেকে আমি বিসিপিএসের শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত। গতবার আমি ফ্যাকাল্টি মেম্বার ছিলাম। এই সঙ্গে স্কিল সাব কমিটি ও জার্নালের সঙ্গেও ছিলাম। এরই ধারাবাহিকতায় এবার আমাকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। আমাদের চেয়ারম্যান বিসিপিএসের সাবেক সম্মানিত কাউন্সিলর অধ্যাপক ডা. মো. রুহুল আমিন।
ফ্যাকাল্টির চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে এরই মধ্যে কাজের এজেন্ডা নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাইরে যে কোনো দেশে সনদ পাওয়ার সঙ্গে বেসিক অ্যাকটিভ লাইফ সাপোর্ট (বিএএলএস) জরুরি। বিএএলএস হলো হঠাৎ কোনো রোগী অজ্ঞান হয়ে গেলে, তার চিকিৎসা নিশ্চিত করার দক্ষতার সনদ। চিকিৎসকসহ সকল স্বাস্থ্যকর্মীর এই দক্ষতা অর্জন করা জরুরি। এর মতো করে আমরা শিশু বিভাগের চিকিৎসকদের জন্য পেডিয়াট্রিক অ্যাডভান্সড লাইফ সাপোর্টের (পিএএলএস) সনদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছি। দুটি প্রশিক্ষণই খুব জরুরি।’
জরুরি সেবায় অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই জায়গায় দক্ষতা অর্জন করা না গেলে কেউ প্রকৃত সেবা দিতে সক্ষম হন না। দেশের স্বাস্থ্যসেবায় বিএএলএস ও পিএএলএসের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি আমরা এগিয়ে নিতে চাই।’
এর পাশাপাশি গবেষণার কাজ এগিয়ে নিতে চান জানিয়ে অধ্যাপক ডা. সঞ্জয় কুমার দে বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা গবেষণার কাজ এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করছেন। এক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়ে থাকায় চিকিৎসকদের ব্যাপারে কিছুটা অসন্তুষ্টও তিনি। আমরা এই কাজটি যথাসম্ভব গতিশীল করার চেষ্টা করবো। গবেষণায় কিছুটা মানহীনতার অভিযোগ রয়ে গেছে, এর উন্নয়নে কাজ অব্যাহত থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সেই সঙ্গে ট্রেনিং মনিটরিংয়ের কার্যক্রমও জোরদার করা হবে। পরীক্ষা পাস বা ডিগ্রি অর্জন একটি ম্যাচের মতো, কিন্তু একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ফাউন্ডেশন নির্মাণে লেগে যায় চার-পাঁচ বছর। এই সময় প্রশিক্ষণ ঠিক মতো না হলে, কখনোই কেউ ভালো চিকিৎসক হতে পারবেন না। তাই যথাযথ মনিটরিংয়ের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের মান নিশ্চিত করাটা আমাদের অন্যতম চ্যালেঞ্জ।’
-
১ ঘন্টা আগে
এফসিপিএসে নতুন নীতিমালা
‘মেধাক্রমের ভিত্তিতে ভাতা সীমাবদ্ধ হলে প্রশিক্ষণার্থীরা আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়বেন’
-
০২ জুন, ২০২৬
-
৩০ এপ্রিল, ২০২৬